একই উপজেলার কুটিরপাড় গ্রামের বানভাসি মজমুল ইসলাম জানান, গেল দুই দিনে অর্ধ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রক বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় তিস্তার পানি দ্রুত গতিতে এলাকায় প্রবেশ করছে। বাঁধের বাকি অংশের ভাঙনও অব্যাহত রয়েছে। যারা পারছেন, তারা বাড়ি-ঘর নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন।
লালমনিরহাট জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আলী হায়দার জানান, বিশ হাজারের বেশি পরিবার বানভাসি হয়েছেন এবং আরও কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়ে বানভাসির সংখ্যা বাড়ছে। জেলা প্রশাসকের নির্দেশে বানভাসিদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। বরাদ্দ দেওয়া ৬৮ মেট্রিক টন চাল বিতরণ চলছে দুর্গত এলাকায়।
চাহিদা অনুযায়ী আরও ত্রাণ সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কাছে।
চাহিদা অনুযায়ী আরও ত্রাণ সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কাছে।

No comments:
Post a Comment