ব্যাংকগুলোকে বলা হচ্ছে সুদের হার এক অংকে নামিয়ে আনতে। সাধুবাদ জানাই। কিন্তু দেশে কি শুধু ব্যাংকই আর্থিক লেনদেন ও বিনিয়োগ করে থাকে। আশা, ব্র্যাক, গ্রামীণ ব্যাংক, টিএমএসএস, এসকেএস, বুরো বাংলাদেশ, আরডিআরএস অন্য বহু এনজিও এবং সমিতিগুলো যারা ক্ষুদ্র ঋণসহ সকল ধরণের ব্যবসায়িক খাতে বিনিয়োগ করছে তাদের বেলা কোন নির্দেশনা থাকবে না কেন? উপরন্তু তারাতো হতদরিদ্র, বিপদগ্রস্থ, প্রান্তিক এবং ভূমিহীন শ্রেণির মানুষের নিকট বিনিয়োগ করছে। সুদের এ অংক কোথায় কমানো প্রয়োজন? প্রান্তিক আয়ের মানুষের জন্য, নাকি জামানত প্রদানে সক্ষম স্বচ্ছল মানুষদের জন্য। গরিব মানূষগুলোকে অতি উচ্চ হার সুদে বিনিয়োগ করে এসকল এনজিও ওয়ালারা ধনী হচ্ছে, স্থুল হচ্ছে, গরিবের রক্তে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করছে,তাদের বেলা সুদ হার এক অংকে আনার নির্দেশনা আসবে না কেন? একদেশ, এক সরকার। কারুর প্রতি দরদ দর্শানো হবে আর কারুর বেলায় নিরব, তা হবে কেন? সরকার তাহলে কাদেরকে পূনর্বাসন করার তাগিদ অনুভব করছে। রাঘব বোয়াল, অর্থ সন্তাসিদের? গরিবরা কি সরকারের বৈমাত্রেয় ভ্রাতা নাগরিক। যদি এনজিও'র বেলায় তা করা সম্ভব নাই-ই হয় তাহলে একতরফা সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হোক। নিশ্চয় এনজিও সরকারের তদারক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়। যে সকল এনজিও'র নাম উল্লেখ করছি তাদের ঋণ প্রবাহ অনেক বড়বড় ব্যাংকের চেয়েও বেশি। এক পক্ষ এসি রুমে বসে এক অংকের সুদ হার ভোগ করবে আর অন্য পক্ষ রক্ত ঘাম ঝরিয়ে দুই অংকের সুদ হারের ভারে কুঁজো হয়ে যাবে তা হয় না। সুতরাং এখনই সিদ্ধান্ত আশা করছে দেশে সিংহভাগ প্রান্তিক আয়ের ঘামঝড়া মানুষগুলো।
No comments:
Post a Comment