Saturday, July 27, 2019

How to use Lucky Pitcher on your Android smart phone and the basics of lucky patcher

Android portable is similarly as simple to utilize. With certain tips you can make it significantly increasingly charming. The Times of India as of late distributed a report on a few hints for Android clients.


Spare applications to various envelopes: Save your cell phone to its organizers in various organizers to keep the gadget running. It will effectively locate the comparing application when required. Aside from this, adding applications to various organizers will add new measurement to the experience of sparing Android.

Wednesday, July 17, 2019

বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি আপডেট খবর

একই উপজেলার কুটিরপাড় গ্রামের বানভাসি মজমুল ইসলাম জানান, গেল দুই দিনে অর্ধ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রক বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় তিস্তার পানি দ্রুত গতিতে এলাকায় প্রবেশ করছে। বাঁধের বাকি অংশের ভাঙনও অব্যাহত রয়েছে। যারা পারছেন, তারা বাড়ি-ঘর নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন।
লালমনিরহাট জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আলী হায়দার জানান, বিশ হাজারের বেশি পরিবার বানভাসি হয়েছেন এবং আরও কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়ে বানভাসির সংখ্যা বাড়ছে। জেলা প্রশাসকের নির্দেশে বানভাসিদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। বরাদ্দ দেওয়া ৬৮ মেট্রিক টন চাল বিতরণ চলছে দুর্গত এলাকায়।

Tuesday, July 16, 2019

একজন সচেতন অভিভাবক হিসেবে সন্তানের জন্য গাইড


আসক্তি কথাটা ভীতিকর শব্দ। যার সাথে প্রায় সবাই পরিচিত । আসক্তি শব্দটা মূলত ব্যবহার হয় মাদকের ক্ষেত্রে । কেউ মাদকাশক্তি হয়ে গেলে তার জীবনটাই ধ্বংস হয়ে যায় । পরিবার, সমাজ, তথা বন্ধু বান্ধব, এমনটি পিতা মাতার সাথেও বিরুপ আচরন শুরু করে । যে মাদকাসক্ত সে কিন্তু সবই বুঝতে পারে যে, সে যে পথে পা বেড়িয়েছে সেটা তার ঠিক হয়নি । কিন্ত তখন সবকিছু বুঝতে পেরেও কিছুই করার থাকে না । সে প্রতিনিয়ত মাদক নিয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ধাপিত হয় । তার আচরনে অস্বাভাবিকতা পরিলক্ষিত হয় । কিন্তু তথ্য প্রযুক্তির যুগে কম্পিউটার এবং কম্পিউটার ব্যবহারের একটি চমৎকার বিষয়ের সঙ্গে আসক্তির মত ভয়ংকর একটা শব্দ জুড়ে দেয়া হলো সেটি নিয়ে অনেকেই অবাক হচ্ছে । যাদের ঘরে কম্পিউটা আছে, তারা অনেকেই ইতোমধ্যে কম্পিউটার গেম খেলতে খেলতে রীতিমত বাড়াবাড়ি করছে । 

Thursday, July 4, 2019

কিভাবে জীবন যাপনে উচ্চ শিক্ষার সার্টিফিকেট লাগে না

হে আমার স্বজাতি বাঙালি টাকা কামাতে এবং আলিশান জীবন যাপনে উচ্চ শিক্ষার সার্টিফিকেট লাগে না। এজন্য দখলবাজ, টেন্ডারবাজ, তেলমর্দনে পারদর্শি, হাইব্রীড, প্রভাবশালীদের চামচাগীরি আর চাপাবাজী এসব শিক্ষাই যথেষ্ট। সুতরাং সন্তানকে শিক্ষাকালে প্রকৃত শিক্ষাটাই দিন। শিক্ষা দিন ধর্মীয় অনুশাসন, সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় নাগরিক দায়বদ্ধতা, পারিবারিক সৌহার্দ্যের দর্শন, ন্যায় পরায়নতা, দেশপ্রেম, প্রকৃতি প্রেম, সততা, ন্যায় পরায়নতা, সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকার সাহস। শিক্ষা, জ্ঞান, মেধা, উদার মানবতা ও সভ্যতার সাথে অর্থ সম্পদ অর্জনের যোগসূত্রটা

কিভাবে টাকা কামাও, পাচার করো, চুরি চামারি করো, ভাষণ দাও, শোষণ করো

ধরো, মারো, কাটো, ফাটাও, ফুটাও, কোপাও, বৈধ আর অবৈধ যে পথেই হোক টাকা কামাও, পাচার করো, চুরি চামারি করো, ভাষণ দাও, শোষণ করো। প্রতারণা, প্রবঞ্চনা, তঞ্চকতা, ভন্ডামি করো। সমাজকে লাটে তুলে নিজেকে জাহির করো। আর এ সবকিছুকে জায়েজ করতে তদন্ত কমিটি করো, প্রেস কনফারেন্স করো, টক শো করো, গোল টেবিল বৈঠক করো এবং বেলা শেষে সবকিছুকে পেপার ওয়েট দিয়ে চেপে রাখো। পর্যালোচনায় মূল্যায়ন দাঁড়ায় রাঘব বোয়ালদের আই ওয়াস বা চোখ ধাঁধাঁনো এবং সম্মোহনী শক্তির সর্বোচ্চ প্রয়োগ সক্ষমতার প্রাচুর্যতা। এ মূল্যায়নে বাংলাদেশের অবস্থান ও প্রয়োগ সাফল্যের হার বেড় করার মত গবেষণা সংস্থা আমার নেই।


Wednesday, July 3, 2019

সরকারের এমন অসাঞ্জস্যপূর্ণ আচরণ খুবই আশ্চর্যজনক

ব্যাংকগুলোকে বলা হচ্ছে সুদের হার এক অংকে নামিয়ে আনতে। সাধুবাদ জানাই। কিন্তু দেশে কি শুধু ব্যাংকই আর্থিক লেনদেন ও বিনিয়োগ করে থাকে। আশা, ব্র্যাক, গ্রামীণ ব্যাংক, টিএমএসএস, এসকেএস, বুরো বাংলাদেশ, আরডিআরএস অন্য বহু এনজিও এবং সমিতিগুলো যারা ক্ষুদ্র ঋণসহ সকল ধরণের ব্যবসায়িক খাতে বিনিয়োগ করছে তাদের বেলা কোন নির্দেশনা থাকবে না কেন? উপরন্তু তারাতো হতদরিদ্র, বিপদগ্রস্থ, প্রান্তিক এবং ভূমিহীন শ্রেণির মানুষের নিকট বিনিয়োগ করছে। সুদের এ অংক কোথায় কমানো প্রয়োজন? প্রান্তিক আয়ের মানুষের জন্য, নাকি জামানত প্রদানে সক্ষম স্বচ্ছল মানুষদের জন্য। গরিব মানূষগুলোকে অতি উচ্চ হার সুদে বিনিয়োগ করে এসকল এনজিও ওয়ালারা ধনী হচ্ছে, স্থুল হচ্ছে, গরিবের রক্তে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করছে,

আমাদের জীবনের দৌড়ের শেষ নেই

আমরা মানুষরা সর্বদাই সম্মূখে চলি। আমরা যে পাঁ'টি সামনে বাড়াই সে পদক্ষেপের ঠিক আগের পদক্ষেপের ছাপটি কিছুক্ষণের মধ্যেই ডিলিট হয়ে যায়। সেখানে আর ফেরা যায় না। শত চেষ্টায়ও ঐ পাঁয়ের ছাপে মিলিয়ে আর কোন পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হয় না। নিলেও সেখানে কম বেশি হবেই বা বেসামাল হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে হবে। অর্থাৎ আমাদের আর ফেরা হয় না। আবার অবস্থান ঠিক রাখার জন্য দাঁড়িয়ে থাকারও সুযোগ নেই। দাঁড়িয়ে থাকলেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবস্থান পরিবর্তন হবেই। কারণ কেউ দাঁড়িয়ে থাকলেও, সবাই দাঁড়িয়ে থাকবে না। অন্যেরা অবিরাম উর্ধগতিতে বর্তমান অবস্থান অতিক্রম করতে ব্যস্ত থাকায় দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটি এমনিতেই পিছিয়ে পড়বেন। কি আশ্চর্য এক প্রতিযোগিতা।

আমি নিজেকেই সুখি-হাসি-খুশি রাখতে পারি না

আমি নিজেকেই সুখি-হাসি-খুশি রাখতে পারি না, অন্যের নিকট আমার উপযোগিতা আছে কি? ভাল কাজে, আমল-এবাদতে নিজেকেই রাজি ও মঞ্জুর করাতে পারি না, ভাল কাজে অন্যকে আহ্বান করি কোন বিবেচনায়? ভুল স্বীকার করে তওবা করি, কিন্তু সে তওবা-ও টেকসই করতে পারি না। আবার ভুল করে ফেলি। তাহলে নিজের কাছে, পরিবারের কাছে, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া- প্রতিবেশি ও সমাজের কাছে আমার দায়বদ্ধতা কিছু থাকলো? আমার দ্বারা কি হবে, কখন হবে এবং আমার প্রয়োজনটাই বা কি? মোদ্দা কথা আমি আসলেই একটা অপদার্থ। বেলা শেষের উপলব্ধি..............